Historical Story Draft

রাজপ্রাসাদের মধ্যমনি মহারানী অঙ্গনা সজোড়ে দরজা ধাক্কা দিলেন। মহারাজা তখন প্রধানমন্ত্রী-রক্ষামন্ত্রী-অর্থমন্ত্রী-সীমান্তমন্ত্রী-মুখ্যসচিব-সচিব-বিদূষক-কে নিয়ে মন্ত্রণা কক্ষে বসে আছেন। যদিও মন্ত্রণা কক্ষে আরও অনেকেই ছিল, কিন্তু বিশেষত এদের নাম করা কারণ পদক্রমেই এরা রাজার উচ্চপদস্থ কর্মচারী। মহারানীর এইরূপ আকস্মিক আগমনে সবাই যেন একটু বিস্মিত এবং একইসঙ্গে অবাকই হলো। মহারানী অঙ্গনা রাজাকে বললেন - "রাজন একটু ঘরে আসতে পারবেন?, প্রচন্ড দরকারী একটা কথা ছিল..."। এক্ষেত্রে বলাই বাহুল্য যে মহারাজা বিপ্রধর মন্ত্রণা কক্ষে বসে থাকলে, সাধারণত বৈঠক শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওঠেন না, মানে সেরকম কোনো দরকার না থাকলে মন্ত্রণা কক্ষ ছেড়ে বাইরে যান না, কিন্তু এক্ষেত্রে রানী ডাকছে, সুতরাং যেতেই-ই হবে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে রানীকে মহারাজা ভীষণ ভালোবাসে, বলা যায় নিজের প্রানের থেকেও। শুনতে অবাক লাগলেও সেসব কালে বিভিন্নরকম যুদ্ধ-বিগ্রহ ছাড়াও ভালোবাসা পুরো মাত্রায় ফুটে উঠবার অবকাশ পেত। শিল্পকলার কারুকার্য থাকলেও বিজ্ঞান তখনও মানুষের জীবন এবং গতিবিধিকে তাড়া করতে আরম্ভ করেনি। প্রকৃতির প্রাকৃতিকতা ছিল তখন স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক।

Post a Comment

0 Comments