The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's famous Novel "Tungabhadrar Tire"

The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's Famous Novel "Tungabhadrar Tire"


The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's Famous Novel "Tungabhadrar Tire"
Poster of Sakshi Tungabhadra

 কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ

The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's famous Novel "Tungabhadrar Tire"
The Inventor of "Tungabhadrar Tire"

 

আদতে "সাক্ষী তুঙ্গভদ্রা" যে ঐতিহাসিক উপন্যাস "তুঙ্গভদ্রার তীরে" -এর ছোটো একটি অংশ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, শ্রী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় আমার একজন প্রিয় লেখক। তার অনেক গল্পই আমার প্রিয়।
ঐতিহাসিক হলে ঐতিহাসিক, প্রেম হলে প্রেম কিংবা খুন হলে সেরকম খুন, আবার রোম্যান্স হলে সংযত রোম্যান্স। গল্পের প্রেক্ষাপট যেমনই হোক না কেন, লেখক শরদিন্দু বাবুর জুরিমেলা ভার। মানুষের মন যে কত জটিল হতে পারে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় তার প্রমান। সেই জন্যই বোধকরি আমিও প্রেমে পড়েছি গল্পের, তার উপন্যাসের।
"তুঙ্গভদ্রার তীরে" গল্পটি পড়ার পর, কেমন যেন মনে ঘোর লেগেছিল আমার। অবিশ্যি শরদিন্দু বাবুর ঐতিহাসিক উপন্যাস গুলো যদি খুব মন দিয়ে কেও পড়ে তাহলে হয়তো বুঝতে পারবে গল্প গুলি আদতে কতটা গভীর এবং কতটা জটিল মনস্তত্বে দিয়ে ঘেরা। কত প্রেম-বিদ্বেষ-ঈর্ষা-হিংসা, কত কুটিল রহস্য-কত মিথ্যা কৃতঘ্নতা সবেরই সাক্ষী আছে, সবাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত তারা কোনো মানুষ বা প্রাণী নয়, তারা নিতান্তই জড় বস্তু। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত এক শক্তি এবং একইসঙ্গে সম্পদ-ও। আর অযথা বিরক্তি না বারিয়েই বলছি তারা হল পাহার-পর্বত, গাছ-পালা, বাতাস, নদী-নালা-গহ্বর, এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী প্রাচীন নুড়ি-পাথর, প্রস্তর বৃহৎ শিলাখণ্ড।

 বলাই বাহুল্য শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাস (তুঙ্গভদ্রার তীরে) "রবীন্দ্র পুরস্কার"-এ ভূষিত হয়।

দীপজ্যোতি মোদক,
তারিখঃ ২৭ অক্টোবর , ২০১৮



সাক্ষী তুঙ্গভদ্রা
 

The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's famous Novel "Tungabhadrar Tire"
Side of River Tungabhadra at Mid Night


তুঙ্গভদ্রার তীরে গেলে,
এখনও কি শোনা যায় তার শান্ত-মিষ্টি গলার আওয়াজ?
ভিজে বালিতে তার নরম পায়ের ছাপ কি এখনও পরে?
তার হাতের নরম পাতলা নখ,
কি এখনও ছবি আঁকে সেই ভিজে বালিতে?
তুঙ্গভদ্রার তীরে মাতাল বাতাসে,
কি তার শাড়ির আঁচল আজও ঝড় তোলে?
রাতেরবেলায়,
রাজবাড়ি থেকে ভেসে আসা সেতারের দুরুহ এক সুর, সঙ্গে
নুপুরের রুণুঝুণু,
সোনার অলংকারের সেই চিরস্বর্ণালি আওয়াজ,
আবার কখনও বা মন্দিরের বিশাল তাম্রঘণ্টার প্রহর বাজার শব্দ,
বহুদূরে নহবতের আলাপ, বারান্দায় ঝোলানো খাঁচায় বুলবুলের গান,
কি তার মনে এখনও এতটুকুও কোনো অনুভুতির সৃষ্টি করে?
সন্ধ্যেবেলায় চাঁদের আলোয় তার স্নানের বেলায়,
এখনও কি তুঙ্গাভদ্রার জলে সেই প্রবল কম্পন সৃষ্টি হয়?
স্নান শেষে তার শরীর থেকে,
কম্পিত জলবিন্দু গুলো কি এখনও মুক্তের মত ঝরে পরে?
হয়তো সব ঘটনার-ই সাক্ষি থেকেছে স্রোতস্বিনী তুঙ্গভদ্রা...
যদিও কিছুই উত্তর পাওয়া যাবে না,
যদি কোনো এক স্তব্ধ সন্ধ্যেয়, তুঙ্গভদ্রার তীরে এসে দারানোর অবকাশ পাওয়া যায়,
হয়তো শোনা যাবে সে কথা বলছে নিচু স্বরে,
কানে কানে বলছে তার স্মৃতিকথা,
কতনাম, কত কুটিল রহস্য,
কত বীরত্বের কাহিনী,
কত কৃতঘ্নতা,
বিশ্বাসঘাতকতা,
প্রেম-বিদ্বেষ,জন্ম-মৃত্যুর বৃত্তান্ত,
যার বিন্দুমাত্রও বিস্মৃত হয় নি,
স্রোতস্বিনী তুঙ্গভদ্রা...


(বিশেষ প্রশংসা প্রাপ্ত)

The Next Episode of Sharadindu Bandyopadhyay's famous Novel "Tungabhadrar Tire"

Post a Comment

0 Comments