সম্পাদক কলমে - ফিরে দেখা বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসবকে


 সম্পাদক কলমে - ফিরে দেখা বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসবকে

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের পরবর্তী অধ্যায়ের সাক্ষী এখন চন্দনগড় সার্বজনীন
চন্দনগড় সার্বজনীন দুর্গোৎসব ২০১৯
পরিচালনায় - চন্দনগড় অধিবাসী বৃন্দ
সম্পাদনায় - শ্রী অজয় কুমার বিস্বাস
 চন্দনগড় প্রথম সরণী, মধ্যমগ্রাম, কোলকাতা - ৭০০১২৯

একবার পড়বেন নাকি?
কিছুই না,
মনের একটা অভ্যন্তরীণ ভাব খালি...
।। কাল পাঠ হবে যাত্রামঙ্গল ।।

Durga Puja 2019
নিজের বাড়ির কেও খুব দুরে চলে গেলে যেরকম মনের ভাব আসে, আমার ঠিক সেরকম ভাবই আসে, আমাদের পাড়ার পুজোটা নিতান্তই বড্ডো ঘরোয়া, মহালয়া থেকেই আমাদের পুজো আরম্ভ হয়ে যায়, ঠাকুর আসে সেই কৃষ্ণনগর থেকে, ১৯ বছরেই আমাদের পাড়ার ঠাকুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসিত হয়েছে, কোনো থিম নেই কিন্তু মায়ের রূপ থেকে শুরু করে ঢাকিদের ঢাকের লড়াইয়ে আমরাই সেরা।
Durga Puja 2019

টেক্কা দিয়েছি অনেক,
নামও হয়েছে বিরাট,
যদিও এটা রাত্রিবেলাতেই লিখছি তবুও রাত ১২টার খাতিরে দশমী বলছি, সত্যি! কালই সেই দিন, মা চলে যাবেন আমাদের ছেড়ে, আবার আসবে ঠিক ৩৬৫ দিন পর, বোধকরি তারও বেশী।
যাত্রা মঙ্গল পাঠ হয়ে গেলে পর, ঠাকুরমশাই সহ আমরা পূজাকমিটির কিছু লোক কেঁদে ফেলি, তাদের মধ্যে আমিও পড়ি।
সবাই বলে আবেগপ্রবণ।
তাই কী?
বোধহয় না,
মহালয়া থেকে বিশেষত আমার বাড়ি হয় পাড়ার মন্ডপ, সকাল হোক কিংবা দুপুর, আবার বিকেল হোক কিংবা রাত্রি, শুধু স্নান আর খাওয়া দাওয়া করতেই যেন নিজের বাড়ি যাই, তখন একটাই শুধু মাথায় ঘড়ে ৫ দিনের পুজোয় কিছুই যেন ঘরতি না যায়, মায়ের যেন কিছু কম না পড়ে যায়, আর কি তারপর আসে ষষ্ঠী আর সঙ্গে আসে আমাদের ১০ বছরের পুরনো ঢাকি।
Durga Puja 2019
সুশান্ত মাইতি (বাম পাশে) এবং পিন্তু মণ্ডল (ডান পাশে)

এই যে দুজনকে দেখছেন এরা হল আমাদের ১০ বছরের সঙ্গী, আমাদের ঢাকি, পাড়ার পুজোর বাজেট কম হোক কিংবা বাজেট ফেল এই দুজন কিন্তু আসবেই, ওরা বলে আমাদের পাড়া নাকি নিজেদের বাড়ির মত, প্রত্যেকটা লোকই ওদের ভালোবাসে, তাই নাকি ওদের আসতেও কোনো আপত্তি নেই, পারিশ্রমিক নিয়ে কোনো কথা বললেই ওদের সটান উত্তর "আমাদের সম্পর্ক আগে, তারপর টাকা"। প্রায় ১০ বছর পরে প্রধান ঢাকি সুশান্ত ওর ছেলেকে নিয়ে এল তার ছেলেকে নাম কার্ত্তিক। আর পরের জন নাম সুমন্ত ওদের পাড়ারই এক প্রতিবেশীর ছেলে।

শুভ বিজয়া



চন্দনগড় সার্বজনীন দুর্গোৎসব ২০১৯
পরিচালনায় - চন্দনগড় অধিবাসী বৃন্দ
সম্পাদনায় - শ্রী অজয় কুমার বিস্বাস

Post a Comment

0 Comments